Feeds:
Posts
Comments

Archive for February, 2019

Gully Boy

Saw the movie this evening, thanks to my daughter, Upala. I wouldn’t have gone on my own initiative, for I’m not overtly fond of Bollywood movies. But this time I’m glad that I did go.

The director,Zoya Akhtar, is Javed’s daughter,I’m told. She definitely showed her mettle in this work which, sit down tight, is a Rap movie. Yes, you heard it right, and the final ‘e’ isn’t there. It’d remind one of Slumdog Millionnaire, but the present one is decidedly far superior. To cut a long story short, the theme of the film is latent in one of the rap songs.

If you have the fire within you, no matter where you are, “Apna time ayega.

I realised when this penultimate rap was being slapped out, that my time had come and gone long ago, for I didn’t have the fire in me. Mumbaikars go out of their way to make very interesting genre films and win accolades. Bengal, this side of the eastern border, remain stiff-necked and conservative, rues about the ruin of Bong bhadralok values. I mayn’t live all that long to see that mindset change.

In the meanwhile I’d strongly recommend all of you to see the film in your favourite hall, even if you have grown up with Shantiniketani sensibility towards all art forms.

Correct me if you think I’m wrong.

Read Full Post »

শা’গন্জের জঙ্গল
শা’গন্জ এস্টেটটা ছিল বিশাল, তার মধ্যে রাস্তাঘাট, ঘরবাডিখেলার মাঠ, পুকুর, বন জঙ্গল,বাগানটাগান সব ছিল। আরছিল একটা আলগা আকর্ষণ। আমাদের বয়সী ছেলেরা ভাবত তার পরতে পরতে গুপ্তধন লুকান। আমরা সন্দেহজনক ঢিবি দেখলেই খনিত্র খুঁজতাম।বন্ধু
নন্ত আর পিটারের সঙ্গে কতবার যে জঙ্গল সাফারিতে গেছি, তার হিসেব নেই।কিছু যে পাইনি, তাও নয। এক-আধটু কলংক ধরা পয়সা, একবার একটা ভাঙা লক্ষ্মীর ঝাঁপিতে কিছু কডি, পোডামাটির ঘোড়া। এগুলোর মূল্য বোঝার লোক তামাম শা’গন্জে ছিল না।
নদীর দিকটা পূর্ব বলি ধরলে, জি.টি.রোড পশ্চিম। দক্ষিণদিকটা পাচিলের ওপারের ছায়াঘন গ্রাম তার জি.টি. রোডের দিকে পরে গুরদোযারা হয়েছিল।উত্তর দিকের একলপ্তায ৮৪একর জমি, এস্টেট তৈরি হয়ে যাবার পর পাঁচের দশকে কেনা হয়েছিল। শুনেছি তার অনেকটাই ছিল কুন্ডুদের ধানজমি-বসতবাড়ির সুদ্ধ। ড্রইং আপিলের অমরনাথ দা সেই কুন্ডু বংশের ছেলে। কুন্ডুপুকুরটা তখনই মজা, তারও উত্তে যে ইটের স্তুপটা আমাদের মত গুপ্তধনসন্ধানীদের চোখে প্রমিসিং মনেহত, সেটা, অমরনাথদার মতে ছিল সাবেক চাকরমহল। শতখানেক বছর সেটানাকি খালি ছিল। অশ্বত্থ-বটের দাপটে বহুকাল ধরেই সেটা ধ্বংসস্তুপ। আর পুরুষের পূব পাড়ে নাকি ছিল কুন্ডুদের শিবমন্দির। সেটাও বৃক্ষ-অধ্যুষিত তবে অমরনাথদা সেখানে পূজা হতে দেখেছিল। আজাদীর আগের বছরে নাকি এক শ্রাবণের বজ্রপাতে সেটা মাটিতে মিশে যায়। আমরা তার চিহ্নই দেখিনি।তবে যেখানে শিবমন্দিরছিল বলে অমরনাথদার ধারণা, সেখানে একটা শিমুল আর একটা কযেৎবেল গাছছিল।সেই বেলগাছের নিচে একটা ঢিবি খুঁড়ের আমি আর নন্তু বিশাল একটা ত্রিকোণ লাল কাপড় পেযেছিলাম। অমরনাথদাকে দেখাতে সে বলল, সাইজ দেখে মনে হচ্ছে দারওযান মান্টো সিঙের লেঙ্গট। পরে সে ডানলপ ওয়াচ অ্যান্ড ওয়ার্ডেও কাজ করেছে। বিশাল ভুঁডি, কিন্তু পেটরোগা ছিল।ছুঁলেন ছুঁসনে। ওই পুকুর পাড়ে শালারা হাগত তো, মনে হয, লোঙ্গটে মাখামাখি হয়ে গিয়েছিল, তাই ওটা ফেলে রেখেই পালিয়েছে। জানিসতো, খুনের মামলা আর হেগো কাপড়ের তামাবিল হয়না।
আমি অমরনাথদাকে বেশ পছন্দ করতাম।স্কাউট্স ডেনের রোজকার আড্ডায় একটু বডো দাদাদের সঙ্গে খাতির ছিল আমার, যেমন, বেনুঘাট, হালুযাদা, পচুদা (সে আমার সহপাঠী মিহিরের দাদা),DS &SC-র লাইব্রেরিযান, সাধনদা, এদের সঙ্গে।নতুন চাকরি যখন শুরু করি, টেকনিকাল ডেভেলপমেন্টের সুবোধ মজুমদার ট্রেসিং কপি করাতে তাই আমাকেই পাঠাতেন, অমরনাথদার কাছে।
DS&SC হল, Dunlop Sports and Social Club. Libraryটা তখনও ছিল পুরনো সিনেমা হলের পেছনের একটা অপারেটর’স ফ্যামিলি কোযার্টারে।সেখান থেকে সুজিত যত ইচ্ছে দস্যু মোহন ধার নিত। অধিকাংশই আমি পড়তাম, জঙ্গল সাফারিতে।
পরে ওই তল্লাটে কিছু স্টাফ ফ্যামিলি কোযারটার তৈরি হল, তার একটাতে দেবকিশোররা থাকত।
উত্তরের দেওয়াল তৈরি হয অনেক পরে। আমি ১৯৯৩-তে শা’গন্জ ছাড়ি। তার কিছু আগে সমীর (দে) বলল, ওই অন্চলটা গাছে গাছে ভরিযা দেব। কোম্পানির খরচায় দশ হাজার মতন তারা গাছ তৈরি করে সেখানে লাগানো হয।বৃক্ষ মহোৎসব। সেই সময দিয়েই ছাবরিযা সাহেব ঘোষণা করলেন যে ওখানে একটা মন্দির স্থাপন করবেন। কোম্পানির অন্যতম ডিরেক্টর শ্রী পৃথ্বীরাজ আইয়ার, সেখানে ইট ও একটি স্বর্ণমুদ্রা স্থাপন করে ভিত পূজো করলেন। তার পরই যবনিকাপাত পতন। শা’গন্জই রইলনা। চ্যাপ্টার খতম। আমার কাহিনির শেষ।

Read Full Post »

শা’গন্জের জঙ্গল
শা’গন্জ এস্টেটটা ছিল বিশাল, তার মধ্যে রাস্তাঘাট, ঘরবাডিখেলার মাঠ, পুকুর, বন জঙ্গল,বাগানটাগান সব ছিল। আরছিল একটা আলগা আকর্ষণ। আমাদের বয়সী ছেলেরা ভাবত তার পরতে পরতে গুপ্তধন লুকান। আমরা সন্দেহজনক ঢিবি দেখলেই খনিত্র খুঁজতাম।বন্ধু
নন্ত আর পিটারের সঙ্গে কতবার যে জঙ্গল সাফারিতে গেছি, তার হিসেব নেই।কিছু যে পাইনি, তাও নয। এক-আধটু কলংক ধরা পয়সা, একবার একটা ভাঙা লক্ষ্মীর ঝাঁপিতে কিছু কডি, পোডামাটির ঘোড়া। এগুলোর মূল্য বোঝার লোক তামাম শা’গন্জে ছিল না।
নদীর দিকটা পূর্ব বলি ধরলে, জি.টি.রোড পশ্চিম। দক্ষিণদিকটা পাচিলের ওপারের ছায়াঘন গ্রাম তার জি.টি. রোডের দিকে পরে গুরদোযারা হয়েছিল।উত্তর দিকের একলপ্তায ৮৪একর জমি, এস্টেট তৈরি হয়ে যাবার পর পাঁচের দশকে কেনা হয়েছিল। শুনেছি তার অনেকটাই ছিল কুন্ডুদের ধানজমি-বসতবাড়ির সুদ্ধ। ড্রইং আপিলের অমরনাথ দা সেই কুন্ডু বংশের ছেলে। কুন্ডুপুকুরটা তখনই মজা, তারও উত্তে যে ইটের স্তুপটা আমাদের মত গুপ্তধনসন্ধানীদের চোখে প্রমিসিং মনেহত, সেটা, অমরনাথদার মতে ছিল সাবেক চাকরমহল। শতখানেক বছর সেটানাকি খালি ছিল। অশ্বত্থ-বটের দাপটে বহুকাল ধরেই সেটা ধ্বংসস্তুপ। আর পুরুষের পূব পাড়ে নাকি ছিল কুন্ডুদের শিবমন্দির। সেটাও বৃক্ষ-অধ্যুষিত তবে অমরনাথদা সেখানে পূজা হতে দেখেছিল। আজাদীর আগের বছরে নাকি এক শ্রাবণের বজ্রপাতে সেটা মাটিতে মিশে যায়। আমরা তার চিহ্নই দেখিনি।তবে যেখানে শিবমন্দিরছিল বলে অমরনাথদার ধারণা, সেখানে একটা শিমুল আর একটা কযেৎবেল গাছছিল।সেই বেলগাছের নিচে একটা ঢিবি খুঁড়ের আমি আর নন্তু বিশাল একটা ত্রিকোণ লাল কাপড় পেযেছিলাম। অমরনাথদাকে দেখাতে সে বলল, সাইজ দেখে মনে হচ্ছে দারওযান মান্টো সিঙের লেঙ্গট। পরে সে ডানলপ ওয়াচ অ্যান্ড ওয়ার্ডেও কাজ করেছে। বিশাল ভুঁডি, কিন্তু পেটরোগা ছিল।ছুঁলেন ছুঁসনে। ওই পুকুর পাড়ে শালারা হাগত তো, মনে হয, লোঙ্গটে মাখামাখি হয়ে গিয়েছিল, তাই ওটা ফেলে রেখেই পালিয়েছে। জানিসতো, খুনের মামলা আর হেগো কাপড়ের তামাবিল হয়না।
আমি অমরনাথদাকে বেশ পছন্দ করতাম।স্কাউট্স ডেনের রোজকার আড্ডায় একটু বডো দাদাদের সঙ্গে খাতির ছিল আমার, যেমন, বেনুঘাট, হালুযাদা, পচুদা (সে আমার সহপাঠী মিহিরের দাদা),DS &SC-র লাইব্রেরিযান, সাধনদা, এদের সঙ্গে।নতুন চাকরি যখন শুরু করি, টেকনিকাল ডেভেলপমেন্টের সুবোধ মজুমদার ট্রেসিং কপি করাতে তাই আমাকেই পাঠাতেন, অমরনাথদার কাছে।
DS&SC হল, Dunlop Sports and Social Club. Libraryটা তখনও ছিল পুরনো সিনেমা হলের পেছনের একটা অপারেটর’স ফ্যামিলি কোযার্টারে।সেখান থেকে সুজিত যত ইচ্ছে দস্যু মোহন ধার নিত। অধিকাংশই আমি পড়তাম, জঙ্গল সাফারিতে।
পরে ওই তল্লাটে কিছু স্টাফ ফ্যামিলি কোযারটার তৈরি হল, তার একটাতে দেবকিশোররা থাকত।
উত্তরের দেওয়াল তৈরি হয অনেক পরে। আমি ১৯৯৩-তে শা’গন্জ ছাড়ি। তার কিছু আগে সমীর (দে) বলল, ওই অন্চলটা গাছে গাছে ভরিযা দেব। কোম্পানির খরচায় দশ হাজার মতন তারা গাছ তৈরি করে সেখানে লাগানো হয।বৃক্ষ মহোৎসব। সেই সময দিয়েই ছাবরিযা সাহেব ঘোষণা করলেন যে ওখানে একটা মন্দির স্থাপন করবেন। কোম্পানির অন্যতম ডিরেক্টর শ্রী পৃথ্বীরাজ আইয়ার, সেখানে ইট ও একটি স্বর্ণমুদ্রা স্থাপন করে ভিত পূজো করলেন। তার পরই যবনিকাপাত পতন। শা’গন্জই রইলনা। চ্যাপ্টার খতম। আমার কাহিনির শেষ।

Read Full Post »

I began writing this in Bengali, but considering that my Sahaganj friends, polyglot though they mostly are, do not consider the local tongue to be polymerisable . So I switched.A short explanation, therefore,, is due at this point to explain the word dhapi. A dhapi is a step of any set of stairs. It’s loving form dhapi is one isolated step of a staircase.one riser and one contiguous landing in isolation.one has to imagine that as a rectangular block the length equalling the width of the stairs.

Once upon a time the river Hooghly had many ghats between Bansberia and Shanderswartala(ষাঁডেশ্বরতলা): some public but mostly private.Ghats are stairs leading into the water for the convenience of bathers and boating. Usually at high tide it appeared to be just one dhapi from the shoreside.Evening esplanade strollers found that very inviting. And the adda genes in their Bengali blood made them sit on the visible dhapi for an hour or three of gossip. In the Raj era some people had built many such stand-alone dhapis on the esplanade area and around the four large public maidans. Many people of different groups at different times sat on the dhapis for their daily addas, exchange of juicy gossips. Dhapir adda was in due time as famous as North Calcutta’s রকের আড্ডা( Roker adda).

The ghats at the Khamarpara end were Kamini(presumably for young ladies only), Gandheshwari, Sahaganj, Nandibari, perek kol, Hooghly Girls’ School, mukhtier-para(মোক্তার-পাডা, a mukhtier was a law agent of the Mughal era and continued to serve well into the Raj era, before law colleges were established), muhuri (mukhtier’s clerk), Portuguese godown ghat,magistrate’s ghat, Sara (সার)-ghat[sara means fertiliser, manure in this case. The privy toilet system survived in Chinsurah well into the independence. In the Dutch era,human excreta were collected in huge barrels and boat loads were sold to farmers; and there was a market for it.), shiapara(শিয়াপাডা)ghat for the Shia Muslim community close to the Imambara, dhobi ghat,Bakul ghat, Mittir ghat, Sanyal ghat, Hooghly ghat, Jagannath ghat, joda (জোডা) ঘাট, Hospital ghat, etc etc. I’m sure I’ve missed quite a few, for there was an Armani ghat, and a Palpara ghat too.Thankfully, this blog post isn’t about ghats but dhapis.And I’m not prepared to post s compendium on dhapis either. dhapis have survived for at least a couple of centuries, though quite a few of them have badly worn out by friction with many trousers and dhotis.

My father was interested in local history and he once took me to historian Harihar Sett’s Chandannagar residence.

During the conversation he had with the great man, I realised that even dhapis can contribute to history. It would be wrong to give you the impression that I’d independently begun my intense research on dhapis there and then. I neither had the learning nor the innate ability then.

Kamini ghat

The Kamini ghat for females was in the obsolete chhauni (ছাউনি,cantonment) area of the Khamarpara. Cantonment of Azim Ush Shan’s army. It had housed a brothel Mr Yajneswar Banrujje told me once and the inmates were the actual kaminis. I can’t vouch for that for it has left no records in the annals of documents now available, but the story was often repeated by others. My good facebook friend shri Bholanath Moira Nayak, who is a student of this region also tells me that the বরফ কলের মাঠ(the ice plant field—a unique and innovative effort to produce ice by evaporative cooling was also in the same general area. It sort of explains some other matters: soldiers, whores and spirit-cooling ice do go hand in hand but I never learnt much more about it, except for a learned essay in ans issue of weekly দেশ magazine published many years ago. It might be located in the 50 year index of all entries in Desh.

Read Full Post »