Archive for December, 2018

One of the mentors who tended our clans was rather fond of me. When I was in the middle class of the middle school (class v) he came down to our housing area on some errands. He took me aside and asked me why was I so much against religion. “Because of the middlemanship” was my reply. He agreed wholeheartedly. He also pointed out that Hindus had a way of aggressively assigning holiness on objects/ people who least deserve it.”Yes,” I agreed, and added the example of the river Ganges. People defecate on its banks and wash themselves, tan commercial hides, discharge city sewerages and factory wastes. Even then the Ganga, it seems, cleanses itself of all sin and microbes and flows in pristine glory between. The Gangotri and the Bay of Bengal, they say, ignoring chemical analyses and epidemics spread by the river. Fish die by the millions, so what?

Then I raised the subject of astrology and fortune tellers’ mumbo jumbo. He pointed out that the met office too was in the business. I had to point out that the science behind weather forecast was sound, the instruments of forecast were inadequate. learnt a lot in that open to all session, and was able to convince my friends that my atheism was logical.

I think Ivesaid it before that the Malo girls were far better looking than other Kaivartas, because of the genetic admixture that often gave them brown hair and blue eyes (কটা চুল আর চোখ)।

And you must remember that much of undivided Bangal was delta country, and a huge share of that was the Sundarbans till about 200 years ago. Even Maimansingh (মৈমনসিংহ) was no exception. River Padma was called keertinasha (কীর্তিনাশা- destroyer of human achievements). That wasn’t for nothing.People living on coastal deltas were eternal fugitives from river related disasters. There are written records of families moving from Mymensingh to Hooghly to set up their house anew every time their settlements were washed away. Every time, the displaced people had to mourn the loss of habitat and their dear ones, Malos came to their rescue. They transported the affected to safe shores and composed suitable sad songs for people to sing. Malos never succumbed to religiosity or godhead to pray for consolation or recovery. They never blamed godheads for their distress either. The only gods they believed in earnestly were the homestead god who resided in or around the Tulasi-mancha in a symbolic manner and Madana, the god of physical love.

For love was the only thing thathad the potential to make them forget, but the brahminical agents of the many gods were essentially loveless. Most of Bengal of yore was tidecountry, and they sang sad madrigals known as Bhati-van (tide songs). It was heavily influenced by the sufi minstrels who had fashioned the culture of the area. The tunes were slow and nasally drawn. They sounded more like the lullaby’s sung by mothers. Music wasn’t a matter of conscious training, but a display of natural grief. For centuries, all Bhati songs were deeply mournful, perhaps in memory of the losses during the years of tidal disaster.

The lissome Malo lasses sang them in the evenings, and the menfolk while sailing after nightfall.

Though I’m writing about a specific West Bengal Kaivarta tribe, far removed from the devastations of rivers Padma, Meghna or Brahmaputra, the Kaivarta character remained unchanged over the geography and time.

I had once heard an old Malo song on the shores of river Padma in Bangladesh, sung by a woman, perhaps a mere girl, when I was visiting on a business errand. This is how it went, recalling a distress far removed from here and now.

সুরজ টানে, চান্দে টানেরে, সোহাগে ধরতি গদ্গদ;

টানাটানি খেলাতে কে হারে কেবা জেতেরে, 

উথালি পাথালি ঢেউ উঠে।

সাগর উথাল নদী উথাল, তালগাছ সমান উচা

To continueবান উজানে গডায,

আমি যাই নন্দ মালোর কইন্যারে,

ঘর বাডি ভাসিল আমার,।

ঘর বাডি, স্বজন, অতীত, যত সুখস্মৃতিরে সব ধুইযা নিয়া সাগর জলে ফেললরে,

আর কেহ নাই, কিছু নাই আমার।

ও, সুবল কেওটরে, এই জল পারাইযা সুখা ডাঙায় চল,

তোর দরাজ বুকে ঠাঁই দেরে আমায়।

Read Full Post »

The area around the Bandel Church was divided into convenient পাড়া-s, usually by profession such as জেলে (fisherfolk), nikiri (financiers and organisers of commercial fishing), boat- builders, sail-makers, et al. I’d have liked to include the Molla pada, the Muslim precinct, but it was actually under the old বন মসজিদ পাড়া ( the forest masjid area) on the other side of the main road that also housed the Malo pada (মালো পাড়া). The Malos were also nikiris and encouraged fishing in the coastal area or the sea. The word arose from their common surname মল্ল (Malla), etymology unknown.

They lived in peaceable harmony, despite differences in trade and religion. The nikiris and Malos didn’t belong here. The coastal deltas were where they’d come from.

The malos were actually promoted by Portuguese traders and trained by their pirates. Malo women were generally tall and comely as a result of interbreeding.

Very often in the past the Portuguese pirates had invaded the coastal isles but found nothing material to loot, so they looted women, nubile ones who had visibly attractive figures. When the hapless girls were too large with child to remain sexually desirable, the left the girls on the shore, not where they were looted from but usually in th Bandel Church area. It was their church, after all, and considerate enough for the hapless girls and their children. Every society, even the so-called celebate ones needed girls. That was as good a haven as any. Children with pale eyes and pale hair were not unwelcome there.Quite a lot of them were baptised too to fulfil the churchmen’s official quota. Children with pale eyes and pale hair were not unwelcome there.

Read Full Post »

দুনিয়ায অজ্ঞেযবাদীরা দলে ভারি, সংগত কারণেই, কারণ স্রোতের বিপরীতে হাঁটা দুষ্কর। তাই এই পর্ব।

তিনি নেই, কখনও ছিলেননা, ভস্মীভূতস্য দেহসৌষ্ঠব পুনরাগমনং কুতঃ।সৃষ্টি নির্ঘাত একটা অভাবনীয় দুর্ঘটনা, হয়তো উদ্দেশ্যহীনও। তাই মেনে নিতে কষ্ট হয। এ নিয়ে যত স্পেকুলেশন হয়েছে, ইন্ডিয়া পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচ তার কাছে তুচ্ছ।তবে বহুকাল আগে একবার ডায়মন্ড হারবার থেকে কলকাতা ফেরার সময, গাড়ি খারাপ হয়ে মোল্লার ঠেলে অনেকক্ষণ দাঁড়াবার পর একটা বাস এল, প্রায খালি। উঠেই বসার জায়গা পেলাম। আমার সামনের সীটে দুজন মুসলমান বসেছিল। কথাবার্তা বুঝলাম তারা জেলে। একজন কেবল নিজের অদৃষ্টের দোষ দিচ্ছে। “আমার কি দোষ, কও, খোদাতাল্লায দিচ্ছে।” তার সঙ্গী বুডো রিসর্টের করল, “খোদার দোহাই পাড়ো ক্যান?

তার বাপ-দাদার কইত খোদাতাল্লা। তার বাপদাদাও তাই। সে হালার কত বয়স তুমিই কও, সেকি শুনবার পায না কি দেখবার পায। তুই কি করলে অবস্থা ফিরত, তাই ভাব।”

লাখ কথার এক কথা। সে হালার কোনও ইন্দ্রিযই আর কাজ করার কথা নয। তবু আমরা নানা নামে তার দোহাই পাড়ি। ছাত্র পরীক্ষায়ায ফেল করে, অন্য লোক প্রিয়জনের অসুস্থতার সময়ে। যেন বিশ্বের সকলের বিপন্মুক্তি তার একবার হাতে।খুব সাধারণ লোক অনেক সময়ে সত্যিটা দেখতে পায, কিন্তু জোর গলায় বলতে পারে না।

আরেকবার আমি জাহাজে দিলমুনের যাত্রী নিয়ে ইরাকের টাইগ্রিস-ইউফ়রেটিস দোযাবের ভর নগরে যাচ্ছি। মাসাধিককালের সমুদ্র যাত্রায, আগেও দেখেছি, কিছু লোকের হঠাৎ করে সারা শরীর ক্লান্ত হয়ে পডে, তার পর জ্বর আসতে পারে, অন্তত সংজ্ঞাহীনতা। তার পর যে কোনও সংক্রমণ, সর্দিকাশি, পেট খারাপ সরাতেই চায়না। আমি দেখেছিলাম যারা ফলাহার ও শুকনো ফল (কিসমিস, খেজুর, আমলকি, পাতিলেবু) ইত্যাদি সঙ্গে নিয়ে যায়, তাদের এ রোগ হয়না। তাই আমার দৃষ্টিতে অম্লাল্পতা সে রোগের কারণ। আমি তাই আমার নাযকত্বে যতো দীর্ঘ যাত্রা হয়েছে, এই সব উপাদান নিয়েই যাত্রা করেছি। সেবার আমার এক যাত্রাসঙ্গী ছিল শ্বেতবাস পরিহিত এক লোল বৃদ্ধ, সে ঐরণ দেশের লোক।ঐরণদের সমুদ্রনীতিতে পদাধিকার কালের যাত্রায সঙ্গে একজন ভিষক নেওয়ার কথা। কিন্তু সে যাত্রায আমরা উপযুক্ত ভিষক পাইনি। তাই যখন আমাদের এক যাত্রী, যিনি টাইগ্রিস-ইউফ়্রেটিসের দোযাব অন্চলে ঊর নগরে যাবেন, যাঁর ব্যবসায়ের লটবহর নিয়ে আমরা যাত্রা করেছি, তিনি বিনা পরিশ্রমে হঠাৎ অতি ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। আমি তাঁকে চাঙ্গা করে তুলতে তাঁর মুখে এক মুঠো কাঁচা আমলকি পাতলা করে কাটা নুনে জারানো রুচি তাঁর অনিচ্ছুক মুখে ভরে দিলাম এক রকম জোর করেই।ফলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন–খিঁচুনির আর ধরেনি। সেই লোল ঐরণ আমার সব ক্রিযাকলাপের ওপর নজর রাখছিলেন। ঊর বণিক সুস্থ হবার পর ঐরণ বৃদ্ধ আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন,”মহাশয় কি পেশায় ভিষক?”

আমি না বসাতে তিনি আরও প্রশ্ন করলেন, “তবে অম্লাপতা রোগ ও তার চিকিত্সা পদ্ধতি আপনি কি করে জানলেন? আমার উত্তর শুনে তিনি আমার ঠিকুজি কুষ্ঠিয় নিয়ে নানা প্রশ্ন করতে লাগলেন, অবশেষে বললেন, “মহাশয় কি জানেন যে আপনি একজন মহামানব?”

Read Full Post »

এটা রূপকথা হলে কৈফিযতের ধার ধারতাম না।কল্প-ইতিহাস বলেই বিপদ হল। বিনা গবেষণায় এতটা মিসিং লিংক কোত্থেকে পাই? ওদিকে সময বয়ে যাচ্ছে। তাও বলে রাখি, আমি যেমন আর্য গল্পে সাগর ডিঙোতে পারি, তেমনি ইতিহাসে পুনরুদ্ধারের জন্য সময়ও পেরুতে পারি।

একটু ঠাহর করলেই বোঝায়ায যে এরা আগে বেশি জীবজন্তুর দেখিনি, সাগরও দেখেনি। তাই তারা কালোমুখ বানরদের বা রোশন ভল্লুককেও ভগবানের আসনে বসায়।

আমরা নিজের হাতে কর্ষণ শিখেছি নিজেরাই কৃষি কাজকরি, স্বহস্ত নৌযান বানিয়ে নিজেরাই চালাই। এরা তা ভাবতেও পারেনা তাছাড়া এই দু কচির আর্য গোষ্ঠীর মধ্যে সতেরোটা ভাগ।ভরত, ইক্ষাকু, শৃণ্জয ইত্যাদি বিভিন্ন নামের ছোট ছোট বিভাগ। তকিসের এত গুমোর?

চাই বা না চাই, আমাদের ভাষা সংস্কৃতির ওপরেও আর্যরা প্রভাব বিস্তার করে। তাদেরও এক পশুপতি আছেন। তাঁর নাম যিবঠাকুর, তিনি সর্বত্রগামীতার ও প্রজননের ঠাকুর। ত্রিশুল তাঁর প্রতীক এবং ত্রিশুলচিহ্ণ এঁকে ভক্তরা তাঁর আনুগত্য প্রকাশ করে।তার মধ্যে হয়তো একটু নৃতত্ত্বও আছে। পাহাড়ির শিব শীত থেকে বাঁচতে বাঘছাল পরেন ও গায়ে ভস্ম মাখছেন, দিনরাত মাদক সেবন করেন। তিনি রুদ্ররূপ কিন্তু অল্পেই তুষ্ট।তিনি অহরহ পশু-পরিবৃত।তিনি পাহাড়ের লোক, তাই সংগীত ও নৃত্য পটিয়ান।

তিনি কোনও কারণে অমঙ্গলের প্রতি কূপিত, তাই তাকে দৃষ্টি বানে দগ্ধ করেছেন। এহেন মহাদেব কিন্তু আমাদের ও সারস্বতদের পশুপতির নকল।

তবে আমাদের আরাধনার ধরণ আলাদা, আমরা লোক দেখানো ভড়ৎ করিনা, শান্ত ভাবে পুস্প দিয়ে দেবতার পূজা করি। ওদের বেশির ভাগ দেবতা পশুরক্ত (বলি) ছাডা সন্তুষ্ট হয়না। তাই ছাগমেধ, গোমেজ অশ্বমেধ। অনেক দেবতাদের রোজ রক্ত খাওয়াতে হয।

ওদের ধর্মে ব্রাহ্মণ পুরোহিত ছাডা কেউ পূজাধিকারী নয।বিবাহ- শ্রাদ্ধাদিতেও দক্ষিণার বিলিমযে ব্রাহ্মণ ডাকতে হয।


Read Full Post »

যুদ্ধ-বিগ্রহ তো করতেই হয, কৃষির জমি বা সল্তানবতী মহিলাদের সংখ্যা কম পডলে যুদ্ধ করতেই হয।তবে সে বস্তুত দুর্বল শত্রুদের বিরুদ্ধে। যারা কোনও শ্লাঘাসূচক নামে নিজেদের পরিচয় দেয়না তারা এত শক্তিশালী যে তাদের চ্যালেন্জকরার কথাই ওঠেনি। তাদের বাঁধাধরা দেবতাও নেই, যে অনুগ্রহ চাইব। তারা পূর্বপুরুষদের দেবজ্ঞানে আরাধনা করে।ভূত নয, সমাধিস্থ নয। পূর্বপুরুষদের স্মৃতি কে।তারা মৃতদের পোডাযনা বা সমাধি দেয না। কাপড়ে বেঁধে উঁচু শমী গাছের ডালে ঝুলিয়ে দেয, যতদিন না শেয়ালের শকুনে তাদের সাদা হাড ছাডা আর সব খেয়ে ফেলে।

আলোচ্য সমাজ শুকনো কাঠকুটো জ্বেলে পুডিযে ফেলে আর আজীবন ভূতের ভযে মরে।

আমরা মৃতদের নদীতীরে দাহ করি ও ভস্মাবশেষ নদীর জলে ভাসিয়েছ দিই। কেউ কেউ আবার অস্থিভস্ম মৃৎপাত্র ভরে কবর দিই। যাই করি, শেষকৃত্যের জায়গাটা ডলমেন দিয়ে ঘিরে রাখি যাতে জীবিতের বোঝে কোথায যাওয়া অনুচিত, ংএবং মৃতেরাও বোঝে কোথায তারা অবাঞ্ছিত।

পুরবাসী সভ্যতা কারু ক্ষতি করেনা কিন্তু যেহেতু তারা তাদের মৃতদের পুরমধ্যেই ঠাঁই দেয, তাই অনাত্মীযদের পুরপ্রবেশ নিষিদ্ধ।

সাত নদীর দেশেযারা জাঁকিযে বসেছে এবং যারা পরম শ্লাঘায নিজেদের আর্য বলে, তারাও বহিরাগত। আদি নিবাস সম্ভবত উত্তরে তাকলামাকান মরুরও উত্তরে শীতল, হিমাচ্ছন্ন এক পর্বতান্চল থেকে। তাদের দেবতারা নাকি এখনও সেখানে থাকে। সেই হিমাচ্ছাদনের মধ্যে কোনও অরণ্য নেই, নেই কোনও তৃণভূমি, তাই তারা খাদ্যান্বেষনে দক্ষিণে পাড়ি দেয।তাদের সৌষ্ঠব, গাত্রবর্ণ, কেশবর্ণ অতি সুন্দর। তাদের ভাষাও সুললিত, কিন্তু সভ্যতার আর কোনও লক্ষ্মণ তাদের মধ্যে নেই। তারা পক্ণকুট্রে বাস করে।তাদের বিনিমযযোগ্য উদ্বৃত্তও কিছু নেই।তা ছাডা তারা সাগর পেরুতে ভয পায,এবং বিদেশীদের সঙ্গে মিশতে পারেনা।এমন কি মহেন্জোদারো হরিযূপিযার পরিত্যক্ত পুরদুর্গে তারা সহজেই থাকতে পারত কিন্তু ভূতের ভযে থাকেনা।

পুরনির্মাতা যারা হয়তো স্থানীয জন, একমাত্র তাঁরাই সভ্য এ অন্চলে। যারা শির ও আমু দরিয়ার দোয়াব ধরে মধ্য- পশ্চিম এশিয়ায় গিয়েছিল, তাদের মধ্য সদ্য সদ্য সভ্যতার লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে। তাদের ধর্ম ধারণা দানা বাঁধছে শৈত্যকে ঘিরে।তাই তারা সূর্য ও অগ্নিকে আরাধনা করে।এদেশে আর্যরা এখনও মনস্থির করতে পারেনি, তারা কাকে আরাধনা করবে।তাদের ধারণায় এক বাহুবল পূর্বপুরুষ, ইন্দ্রের অধিকাংশের পছন্দ তাই সে তাদের কল্পনার স্বর্গরাজ্যের রাজা। ক্ষুধাধ্যিকে তারা সাত নদীর দেশে পৌঁছেছে বটে তবে তারা সোমরসের কাঙাল।তাদের দেশে তৃণভূমি নেই বটে, তবে ঝোপঝাড় আছে। একটা কেযাপাতার মত পাতাওযালা ঝোপের নাম তারা দিয়েছে সোম। তার ধারালো পাতাগুলো পুষ্ট হলে তারা সেগুলো তুলে নিষ্পেশন করে রস বের করে। তার নাম সোমরস।

সে রস মিষ্ট নয, সুস্বাদুও নয, তবে তার একটা মাদক গুণ আছে। স্বর্গীয় আনন্দ পাওয়া যায় দেবভোগ্য সে রস থেকে।সাত নদীর দেশের ধারে করেছে সে ঝোপ গজায় না।(পাঠকের জ্ঞাতার্থে, সে ঝোপের আধুনিক পরিচয় ephedra, তাতে মাদক alkaloid- র ভাগ উল্লেখযোগ্য।চন্দ্রদেবের প্রসাদ সেই রসের অভাব তারা বহু শতাব্দী ভুলতে পারেনি,তবে তারও বিকল্প তারা নতুন দেশে পেয়ে গেছে। এই তৃণ ভূমের এক বিশেষ তৃণের নাম ইক্ষু। বাঁশের চেয়ে সরু সেই ইক্ষুদন্ড দিয়ে ধনুর্বান বানানো যায়না, গৃহ নির্মাণও চলে না তবে সে দন্ড রসময, সোমরস নয সুমিষ্ট শর্করা রসে; খোসা না ছাড়িয়েছ চিবোলেই সে মিষ্টত্ব সহজে আস্বাদন করা যায়। যন্ত্রের সাহায্য তাকে নিংডোলে সে রস অনেক পরিমাণে পাওয়া যায়। দিনের বেলা কয়েক ঘন্টা অনাচ্ছাদিত রেখে দিলে তার শর্করাংশের পচন হয ও শর্করা মাদক কোহলে রূপান্তরিত হয।সে কোহল এমনিই পান করা যায়, অথবা কোহল ঘনীভূত করাজন্য পাতন করলে কড়া ধাঁচের কোহল পাওয়া যায়।

আমরা সেই কাষ্ঠময নিষ্পেষণযন্ত্র ও পাতনযন্ত্র তৈরি করেছি।

আমরা বনে ঘরে ঘুরে কামড় সহ্য করে মধু সংগ্রহ করে আনতাম আর সপ্তসিন্ধুর আর্যরা তাকে উপপচিত করে আসব বানাত। তাকে পাতন করে মাধ্বীও বানাত। সে বিদ্যে আমাদের তখন ছিল না। আমরা নারকেল, তাল, খর্জুর জাতীয গাছ ডগার দিকে ছেনোয়ার রস সংগ্রহ করে আসব বা মাদ্ধ্বী বানাতাম। নারকেলের জল খেয়েও ভাল মদ্য তৈরি হত।জামের রস থেকেও।

সপ্ত সিন্ধুর আর্যরা বডো বেশি বিভাজনে বিশ্বাসী। স্ত্রী-পুরুষ বিভাজন তো আছেই , তা ছাডা যারা কাঠগড় অন্চল থেকেই উচ্চ বর্ণের, তারা ব্রাহ্মণ, রণবেত্তারা ক্ষত্রিয়, বুদ্ধি জীবীরা বৈশ্য, বাকি সব শুদ্র। এদের মধ্যে বিবাহাদি অলমতি। তাদের সবেতেই নিষেধ। অমুক দিনে বার্তাকু খাবেনা, তমুক দিন মদ্য পান বারণ। আর তাদের পূজো-আর্চা অনুষ্টঠানবহুল ও ভডং-ভরপূর। এই বিবাহ অনুলোম, ওইটা প্রতিলোম এই জাতীয মনগড়াভাব নিয়ম নিয়ে বড্ডো বাড়াবাড়ি। আমাদের সঙ্গ তাই একদম বসন্ত না। তবে আমরা কিনা কাজের লোক, অনেক কিছু করতে পারি, যেমননৌনির্মান, ইক্ষুরচর্বন, বস্ত্রবযন আরও অনেক কিছু, আমাদের সাহায্য ছাডা তাদের চলতেই না।

লোকে বলে, স্বাগত নদীর উর্বর উপত্যকায় যারা বাস করে, তারাও খুব সুন্দর ও সুগাযক। তারা নাকি আর্যদের আত্মীয বাংলাদেশ কাশগড অনল থেকেই আগত।তাদের আর্যরা বলে গন্ধর্ব, প্রায দেবস্থানীয।

সত্যি মিথ্যে জানিন, বাপু, তবে এটা ঠিক যে আর্যরা নিজেদের ধর্ম নিয়ে অন্ধ এবং কুসংস্কারগ্রস্ত, তারা ভূতে ভয পায আর তাই রেতের বেলা আপাত মস্তক মুডি দিয়ে ঘুমায়।উপরন্তু তারা যে কোনও বীরকোট হীরো বলে মানে ও তার ভগবতাযন ঘটায়।তাই রামচন্দ্র, যিনি বালীবধ সত্ত্বেও বীর বলিগণিত তাকেও ভগবত জ্ঞানে পূজো করে।

Read Full Post »